বছরে পাঁচ দিন রোযা রাখা হারাম

ঈদুল ফিতির (১লা শাওয়াল), ঈদুল আযহা (১০ই যিলহজ্জ) এবং এর পরের তিনদিন (১১, ১২ এবং ১৩ই জিলহজ্জ) – বছরে এই মোট পাচ দিন রোযা রাখা সম্পূর্ণ হারাম। এইদিনগুলো হচ্ছে খাওয়া ও পান করার দিন, আনন্দের দিন। একারণে এই দিনগুলোতে রোযা রাখা নিষিদ্ধ। ঈমRead More…

ক্বিয়ামুল লাইল বা রাতের বেলা নফল নামাযের ফযিলত

(১) মহান আল্লাহর বাণীঃ وَٱلَّذِينَ يَبِيتُونَ لِرَبِّهِمۡ سُجَّدٗا وَقِيَٰمٗا “আর তারা (দয়াময় আল্লাহর বান্দারা) রাত্রি কাটায় (সালাতের মাধ্যমে) তাদের প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সিজদায় অবনত ও দন্ডায়মান অবস্থায়।” সুরা আল-ফুরক্বানঃ ৬৪। আব্দুল্লাহ Read More…

ফযর, আসর এবং ইশার সালাতের ফযিলত

নরম বিছানা ত্যাগ করে, আরামের ঘুম বাদ দিয়ে ফযর সালাতের জন্য মসজিদে যাওয়া একটু কষ্টকর কাজ, এ কারণে অনেকে চার ওয়াক্ত সালাত নিয়মিত পড়লেও ফযরের সালাতের ব্যপারে উদাসীন থাকে। তার উপর শীতকালে ফযরের সময় ঠান্ডা পানি দিয়ে ওযু করাতো আরো কষ্Read More…

নামাযের রুকন, ওয়াজিব, সুন্নত ও নামায ভংগের কারণসমূহ

নামাযে রুকন হচ্ছে মোট ১৪-টি নামাযের ‘রুকন’ বলা হয় নামাযের এমন ফরয বা ওয়াজিব কাজগুলোকে, যেইগুলো না করলে বা কোন একটা ইচ্ছায়/অনিচ্ছায় ছুটে গেলে নামায বাতিল হয়ে যায়, এমনকি ঐ নামাযে সিজদা সাহু দিলেও সেই নামায আর শুদ্ধ হবেনা। নামাযের Read More…

ইমামের ইক্তিদা প্রসংগে জরুরী কিছু কথা

আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি (১) আমাদের ন্যায় সালাত আদায় করে, (২) আমাদের ক্বিবলাহমুখী হয়, এবং (৩) আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, সে ব্যক্তি একজন মুসলিম, যার জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসুল যিম্মাদার। সুতরRead More…

প্রচলিত মসজিদের ইমামদের নিয়ে দুইটি প্রশ্নের উত্তর

(১) ইমাম সাহেবরা রুকু-সেজদা খুব দ্রুত করেনঃ মহান আল্লাহ তাআ’লা বলেন, “(হে নবী!) আপনি বলুন, যারা জানে এবং যারা জানেনা তারা কি সমান হতে পারে? চিন্তা-ভাবনা কেবল তারাই করে, যারা হচ্ছে বুদ্ধিমান।” সুরা-যুমারঃ ৯। আমাদের দেশের অনেক ইমাম সRead More…

মেয়েদের নামাযের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়

নামাযের একটি শর্ত হলো, সতর ঢাকা থাকা। নামাযে পুরুষের জন্য সতর হলো দুই কাঁধ ও নাভী হতে হাঁটু পর্যন্ত, আর নারীদের জন্য দুই হাতের তালু ও চেহারা ব্যতীত মাথা হতে পায়ের পাতা পর্যন্ত পুরো শরীর সতর হিসেবে ঢাকা থাকতে হবে। ফিকহুস সুন্নাহঃ Read More…

নামায ওয়াক্ত অনুযায়ীই পড়তে হবে, নিজের মন মতো সময়ে পড়লে গ্রহণযোগ্য হবেনা

আল্লাহ তাআ’লা বলেন, “ইন্নাস-সালাতি কানাত আ’লাল মু’মিনিনা কিতাবান মাওক্বুতা।” অর্থঃ নিশ্চয়ই নামায মুমিনদের জন্য সুনিদিষ্ট সময়ের সাথেই ফরয করা হয়েছে। নিসাঃ ১০৩। ওয়াক্ত অনুযায়ী নামায না পড়লে তার শাস্তিঃ আল্লাহ তাআ’লRead More…

নামায ত্যাগকারী কাফের, এনিয়ে দলীল সমূহ ও সংক্ষিপ্ত ব্যখ্যা

আল্লামাহ, শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমিনের বই “নামায ত্যাগকারীর বিধান” থেকে সংক্ষেপিত। প্রথমতঃ পবিত্র কুরআন হতে, মহান আল্লাহ তাআ’লা সুরা তাওবায় এরশাদ করেছেন, “অবশ্য তারা যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে আর যাকাত আদায় করে, তRead More…

১৭ রাকাত ফরয নামায না পড়ার শাস্তি

ইচ্ছাকৃত এক ওয়াক্ত নামায কাযা করা একপ্রকার কুফুরী। কোন ব্যক্তি যদি তোওবা না করে তাহলে এক ওয়াক্ত নামায কাজা করার জন্যে নিঃসন্দেহে আল্লাহর পক্ষ থেকে জাহান্নামে কঠিন শাস্তি নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে প্রচলিত কথা, “এক ওRead More…