শেখ হাসিনার আক্বীদাহ (পর্ব-১)

শেখ হাসিনার আক্বীদাহ

(১)

তারিখঃ ০৫-ই অক্টোবর, ২০১১ইং

উপলক্ষ্যঃ হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গা পূজা

ইটিভির সংবাদ পাঠিকা বলেন, “গজে চড়ে এবার মা দুর্গা এসেছেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের এমন ধর্মীয় বিশ্বাস মতেই এবার দেশ ফুলে, ফলে, ফসলে সমৃদ্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইমরুল রোমেলের বিস্তারিত প্রতিবেদনঃ

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে দেবী দুর্গার প্রতিমা দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসার সাথে সাথে হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবের আনন্দ বেড়ে যায় অনেকখানি। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় বলেন,

“এখানে (বাংলাদেশে) আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের ধর্মীয় উৎসব সবাই একাত্ব হয়ে উদযাপন করি…শুনেছি গজে চড়ে যখন মা দুর্গা আসে, তখন অনে-ক ফসল হয়। এটা একটা কথিত আছে। কাজেই এবার আমরা আশা করি, আগামীতে আমরা ফুলে, ফলে, ফসলে ভরে উঠবো।”

*এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনে উপস্থিত (হিন্দু) মহিলারা (উল্লসিত হয়ে) উলুধ্বনি ও করতালি দিয়ে তার বক্তব্যকে স্বাগত জানান।*

মন্তব্যঃ অধিকাংশ মানুষ আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, কিন্তু সাথে সাথে শিরক করে।

(২)

ঐ একইদিনে ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে প্রধানমন্ত্রী পূজা পরিদর্শনের জন্য রামকৃষ্ণ মন্দিরে যান এবং সেখানকার বক্তৃতায় তিনি বলেন, “প্রত্যেক ধর্মের সমান অধিকার ও সমান মর্যাদা থাকবে। আমরা সেটাই এবার আমাদের জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন করে নিশ্চিত করেছি।”

মন্তব্যঃ কোন রাষ্ট্রে মুসলমান এবং কাফের, সবার সমান অধিকার ও মর্যাদা থাকবে, এটা হচ্ছে সেকুলারিজম বা ধর্ম নিরপেক্ষতা মতবাদ। অথচ, আল্লাহ তাআ’লা একজন মানুষের ঈমান আনা অথবা কুফুরী করার উপর ভিত্তি করে মুসলিম রাষ্ট্রে তার অধিকার ও মর্যাদাকে পার্থক্য করে দিয়েছে।

(৩)

প্রতিবছরই দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার বিভিন্ন মন্দিরে পূজা পরিদর্শনের জন্য যান এবং সেখানকার বক্তৃতায় তিনি গর্বিত ভাষায় উচ্চকন্ঠে বারবার ঘোষণা করেন,

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।”

মন্তব্যঃ এ ধরণের মন্তব্য কুফুরী এবং শিরকের সমান অপরাধ। এ নিয়ে সুন্দর বিশ্লেষণ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়াত অধ্যাপক ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহি’মাহুল্লাহ। তার বক্তব্যের ভিডিও লিংক নীচে দেওয়া হয়েছে।

(৪)

২০১৯ সালের ০৬-ই জুন ইং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি তার বক্তৃতায় নারীদের হিজাব-পর্দাকে কটাক্ষ করে বলেন,

“হাত মোজা, পা মোজা, নাক মুখ ঢেকে এক্কেবারে…এইগুলো কি….জীবন্ত tent (তাবু) হয়ে ঘুরে বেড়ানো…এইগুলো তো কোন (কথা অস্পষ্টঃ নিয়ম/মানে) হয়না।”

মন্তব্যঃ নারীদের হিজাব পর্দার বিধান ক্বুরআনের একাধিক আয়াত এবং অসংখ্য সহীহ হাদীষ দ্বারা প্রমাণিত। ক্বুরআন ও সহীহ হাদীষ দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হিজাব পর্দার মতো এমন কোন ইসলামের বিধি বিধান নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করা, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা কটুক্তি করা বড় কুফুরী, যে কারণে একজন মানুষের ঈমান নষ্ট হয়ে সে কাফির হয়ে যায়।

(৫)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার বা বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার বিরোধীতাকারী দলের লোকদেরকে হত্যার জন্য দায়ী। এর সবচাইতে বড় প্রমাণ হচ্ছে ২০০৬ সালের ২৮-শে অক্টোবরের ঘটনা।

চারদলীয় জোটের ক্ষমতার পাচ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ২০০৬ সালের ২৮-শে অক্টোবর এক সম্মেলনের আহবান করে।

তথ্যসূত্রঃ

(১) ইটিভির সংবাদ প্রতিবেদনের ভিডিও লিংক –

https://youtu.be/WLJKo1O8o4s

(২) * চিহ্নিত অংশ অনলাইন Bangla News পোর্টাল থেকে সংগৃহীত। সংবাদের লিংক –

https://m.banglanews24.com/national/news/bd/61366.details

(৩) ভিডিও লিংক –

https://youtu.be/vXuQOk1_yPg

(৪) NEWS 24 এর সংবাদ প্রতিবেদন

মিথ্যাচার

 

(১) আমি যদি প্রধানমন্ত্রী হই তাহলে আমি আপনাকে বলে দিচ্ছি, সপ্তাহে একদিনের বেশি টেলিভিশনে আমার চেহারা দেখবেন না।